যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের ব্যক্তিগত ও নির্বাচনী তথ্যের এক বিশাল ভাণ্ডারে চীন সম্পূর্ণ অন্যায় ও বেআইনিভাবে প্রবেশাধিকার অর্জন করেছে বলে সরাসরি অভিযোগ তুলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন ভোটারদের তথ্য চুরির এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওয়াশিংটনে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে।
তথ্য ফাঁসের ভয়াবহতা তুলে ধরে এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেছেন যে ‘হাতিয়ে নেওয়া ওই তথ্যের মধ্যে নাগরিকদের নাম, ঠিকানা, টেলিফোন নম্বর, রাজনৈতিক দলের পছন্দ এবং অন্যান্য সংবেদনশীল উপাত্ত অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যা ভোটার হিসেবে নিবন্ধিত হতে এবং অন্যান্য ক্ষতিকর কার্যকলাপে লিপ্ত হতে প্রয়োজন হতে পারে। আর ঠিক এই ক্ষতিকর বিষয়গুলোই সেখানে ঘটানো হচ্ছিল’।
মার্কিন প্রশাসনের এই গুরুতর অভিযোগ ও উদ্বেগের বিপরীতে দেশটির নির্বাচনী ব্যবস্থা পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে আমেরিকার অধিকাংশ অঙ্গরাজ্যের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ ভোটারদের এই ধরনের মৌলিক ও নির্বাচনী তথ্যগুলো সাধারণত একটি উন্মুক্ত পাবলিক রেকর্ড বা সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নথির অংশ হিসেবেই বিবেচিত হয়ে থাকে। ফলে স্বাভাবিক নিয়মেই এই তথ্যগুলো সাধারণ মানুষের পরিদর্শনের জন্য সহজলভ্য থাকে।
সূত্র: আল জাজিরা
মন্তব্য করুন