দীর্ঘ ৩৬ বছর পর আমাদের চাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্য দিয়ে আমাদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হবে। নির্বাচনি পরিবেশ নিয়ে এখনো পর্যন্ত খুব একটা সমস্যা দেখছি না। তবে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে প্রশাসনে বিভিন্নপন্থি শিক্ষক থাকায় আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কিত। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আমি আশাতীত সাড়া পাচ্ছি। এমনও অনেক কটেজে গেছি, যেখানে আসলে থাকার মতো পরিবেশ নেই।
ছেলেরা বলতেছে, ভাই আপনার নামটা জানি, ভোট দেব আপনাকে, আপনি আসবেন এ আশায় ছিলাম। আসলে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ায় আমার এটা একটা বড় সমস্যা হইছে যে লিফলেট-বুকমার্কগুলো দেরিতে আসায় অনেক জায়গায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে গেছে। তবে আমার বিশ্বাস, দেখা না পেলেও এমন অনেকেই আছেন যারা আমাকে ভালোবাসেন।
আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে যেসব সমস্যায় ভুগছি বা আমার ইশতেহারে আমি যেগুলো রাখছি সবই গুরুত্বপূর্ণ। তবু বলব, আমার ইশতেহারে প্রথম রেখেছি চাকসুকে একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নিয়ে আসা। কারণ আমি বিশ্বাস করি এবং এটাই সত্য যে চাকসু নির্বাচন অব্যাহত রাখার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের সব সমস্যার সমাধান সম্ভব। দ্বিতীয় যে দিকটায় গুরুত্ব দেব সেটা হচ্ছে, আবাসন ও পরিবহণ সমস্যা।
এ দুই সমস্যায় ভুগছে চবির ৯০ শতাংশ শিক্ষার্থী। তৃতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিক হবে শিক্ষার্থীদের ন্যায্যমূল্যে স্বাস্থ্যকর খাদ্যের ব্যবস্থা করা এবং ইন ক্যাম্পাস জবের একটা ক্ষেত্র তৈরি করা; এ সংক্রান্ত একটা রোডম্যাপ আমি আমার ইশতেহারে যোগ করেছি।
মন্তব্য করুন