আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটারদের সংগঠন - সমকন্ঠ
রবিবার , ৩১ মে ২০২৬
সমকন্ঠ
৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১:৩৫ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ ক্রিকেটারদের সংগঠন

ক্রিকেটাররা আসলে কার সম্পদ, সেই প্রশ্নকে ঘিরে আইসিসি এবং বিশ্ব ক্রিকেটারদের সংগঠন ওয়ার্ল্ড ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডব্লিউসিএ) এখন মুখোমুখি অবস্থানে। বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে বিশ্বকাপের জন্য নির্ধারিত দল অংশগ্রহণের নতুন নীতিমালা ও শর্তাবলি। ডব্লিউসিএর দাবি, আইসিসি যেসব শর্তাবলি খেলোয়াড়দের কাছে পাঠিয়েছে, সেগুলো ২০২৪ সালে দুই পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। বরং নতুন সংস্করণটি আগের চুক্তির তুলনায় অনেক বেশি শোষণমূলক।

ডব্লিউসিএ জানিয়েছে, এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আইসিসিকে চিঠি পাঠিয়েছিল তারা। জবাবে আইসিসি জানায়, ২০২৪ সালের চুক্তিটি কেবল আটটি সদস্য বোর্ডের জন্য প্রযোজ্য ছিল। আইসিসির ভাষায়, বাকি যে দেশগুলো ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলছে, তারা ঐ চুক্তির আওতায় পড়ে না। এই আটটি ন্যাশনাল গভর্নিং বোর্ড হলো অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস এবং স্কটল্যান্ড। ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানানোয় টুর্নামেন্ট থেকে বাদ পড়ায় বাংলাদেশের পরিবর্তে স্কটল্যান্ড এখানে এসেছে।

বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া বাকি ১২টি দেশের মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ওমান এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বোর্ডগুলো ডব্লিউসিএ-কে স্বীকৃতি দেয় না। ফলে এসব দেশের খেলোয়াড়রা এই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত নন। ইতালি, জিম্বাবুয়ে, আফগানিস্তান, নামিবিয়া, যুক্তরাষ্ট্র এবং কানাডার নিজস্ব খেলোয়াড় সংগঠন থাকলেও, ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত তারা অংশগ্রহণের নতুন নীতিমালা ও শর্তাবলি পায়নি।

ডব্লিউসিএ পালটা যুক্তি দেয়, ২০২৪ সালের চুক্তিতে স্পষ্টভাবে বলা ছিল, এই চুক্তি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত সব খেলোয়াড়ের জন্য প্রযোজ্য। তারা বিশ্বকাপে খেলুক বা না খেলুক, এমনকি তাদের দেশ টুর্নামেন্টে অংশ নিক বা না নিক। সে কারণেই সংগঠনটি মনে করে, চুক্তিটি আইনগতভাবে বাধ্যতামূলক এবং সব খেলোয়াড়কে সুরক্ষা দেওয়ার কথা।

সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী টম মোফাট খেলোয়াড়দের উদ্দেশে পাঠানো বার্তায় জানান, দুটি সংস্করণের মধ্যে অন্তত আটটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে বড় পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে আছে কনটেন্ট ও মিডিয়া উপস্থিতি, পর্দার আড়ালের কনটেন্ট, ড্রেসিংরুমে প্রবেশাধিকার, খেলোয়াড়দের জৈবিক তথ্য, লাইসেন্সিং, নাম-ছবি-পরিচয় বা এনআইএল অধিকার, খেলোয়াড় চুক্তি এবং বিরোধ নিষ্পত্তি পদ্ধতি।

ডব্লিউসিএর মূল অভিযোগ হলো, ২০২৪ সালের চুক্তিতে খেলোয়াড়দের সম্মতি ও আলোচনার অধিকার ছিল। সেই অধিকার দেওয়া হয়েছিল সংগঠনটির মাধ্যমে। কিন্তু আইসিসির নতুন সংস্করণে বলা হয়েছে, খেলোয়াড়দের আলাদা সম্মতির প্রয়োজন নেই। তাদের বোর্ডই সব সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

জিয়াউর রহমানের সমাধিতে প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা

ট্রেনে নারীদের জন্য আলাদা কোচ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে- রেলমন্ত্রী

আফ্রিকার দেশে স্বর্ণের খনি ধসে নিহত ২৮

কুষ্টিয়ায় মাদক ও ওষুধসহ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

বিশ্বে ১২০ কোটি মানুষ ভুগছে মানসিক সমস্যায়

‘গোপন অস্ত্র উন্মোচন’ কিয়েভে ধ্বংসযজ্ঞ চালাল রাশিয়া

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের চেয়ারম্যানের পদত্যাগ

স্ত্রীসহ সোহেলের বিরুদ্ধে চার্জশিট গ্রহণ, শুনানি ১ জুন

অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে আধুনিক আইন প্রণয়নের কাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

রাষ্ট্রীয় খরচে আসামিপক্ষে আইনজীবী নিয়োগ দিল সরকার

১০

বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের আটকে রাখতে পশ্চিমবঙ্গে ‘হোল্ডিং সেন্টার’ তৈরির নির্দেশ

১১

রাতের মধ্যে ৬ অঞ্চলে ঝড়ের আভাস, নদীবন্দরে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত

১২

ট্রেনের ছাদে ভ্রমণের সময় বজ্রপাতে প্রাণ গেল যাত্রীর

১৩

কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভালো খবর আসছে- ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কো রুবিওর আভাস

১৪

ঈদে ৬ দিন মহাসড়কে ট্রাক-লরি চলাচল বন্ধের ঘোষণা ডিএমপির

১৫

মোদি-রুবিওর বৈঠক- হোয়াইট হাউস সফরের আমন্ত্রণ

১৬

পাটওয়ারীর ওপর হামলা, ঘণ্টাব্যাপী প্রতীকী অবস্থান

১৭

ঐক্যের ডাক মির্জা ফখরুলের

১৮

পাকিস্তানের সেনাপ্রধানকে কড়া বার্তা ইরানের স্পিকার বাঘের ঘালিবাফের

১৯

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি ঈদের ছুটি কমিয়ে ১ দিন করল শুভেন্দুর সরকার

২০