১৪ মাসে সরকার তার ফিটনেস তৈরি করতে পারে নাই- রাশেদ খান - সমকন্ঠ
বুধবার , ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সমকন্ঠ
৩০ অক্টোবর ২০২৫, ১২:০২ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

১৪ মাসে সরকার তার ফিটনেস তৈরি করতে পারে নাই- রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, ১৪ মাসেও সরকার নিজের ‘ফিটনেস’ তৈরি করতে পারেনি। হাতে সময় আছে মাত্র ৪ মাস, এই সময়ের মধ্যে দুইটি নির্বাচন আয়োজনের সক্ষমতা সরকারের নেই বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে রাশেদ খান লিখেছেন, জাতীয় নির্বাচন ও জুলাই সনদের পক্ষে একই দিনে ভোট—হ্যাঁ। জাতীয় নির্বাচনের আগে গণভোট—না।

তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের পক্ষ থেকে যখন প্রস্তাবনা উপস্থাপন করা হয়, তখন বিশেষজ্ঞরা একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের পক্ষে মতামত দেন। সে সময় জামায়াত ছাড়া সব দলই একমত হয়েছিল। এমনকি এনসিপিও প্রস্তাবের পক্ষে অবস্থান নেয়। কিন্তু পরদিনই এনসিপি তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে।

রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেন, এনসিপি ও জামায়াতের মধ্যে বোঝাপড়া আছে—এটি গোপন রাখতে চায় এনসিপি। এই সম্পর্ক আড়াল করতেই এনসিপি মাঝে মাঝে জামায়াতবিরোধী অবস্থান নেয়। এটি রাজনৈতিক কৌশলমাত্র।

তার দাবি, জামায়াত যা করতে পারে না, তা এনসিপিকে দিয়ে করায়। এনসিপির ভেতরে জামায়াত-শিবিরের প্রভাবশালী নিয়োগ রয়েছে, যারা সংগঠনের ভেতরে প্রভাব বিস্তার করছে।

তিনি আরও বলেন, কিছুদিন আগে তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম লিখেছিলেন—‘নতুন করে আরেকটি মওদুদীবাদি প্রক্সি দলের দরকার নেই।’ তখনই বোঝা গিয়েছিল, এনসিপি বুঝে না বুঝে সেই পথেই হাঁটছে। এতে তাদের নিজস্ব রাজনীতি তৈরি হচ্ছে না।

সরকারের সমালোচনা করে গণঅধিকার পরিষদের এই নেতা বলেন, ১৪ মাসেও সরকার নিজের ফিটনেস তৈরি করতে পারেনি। নভেম্বর গণভোটের প্রসঙ্গ এনে ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এতে কেবল আওয়ামী লীগই উপকৃত হবে।

তিনি অভিযোগ করেন, ঐকমত্য কমিশন ‘নোট অব ডিসেন্ট’ বাদ দিয়ে সরকারের কাছে সুপারিশ করেছে। তাহলে ৯ মাস রাষ্ট্রের অর্থ ব্যয় করে লাভ কী হলো? আগে থেকেই ৮৪টি বিষয়ে গণভোট নেওয়া যেত।

রাশেদ খান সতর্ক করে বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ও ঐকমত্য কমিশন জামায়াত ও এনসিপি বাদে সব দলের সঙ্গে প্রতারণা করেছে। দেশকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে। আরেকটি ১/১১ অনিবার্য করা হচ্ছে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইসরায়েলি বসতির বাণিজ্যে নিষেধাজ্ঞায় ইউরোপের ১২ দেশের সমর্থন

ভয়াবহ বন্যার রেশ কাটতে না কাটতেই তিব্বতে ভূমিকম্প, কেঁপে উঠল নেপালও

হরমুজে এক সপ্তাহে জাহাজ চলাচল কমেছে ২৮ শতাংশ, চলেছে মাত্র ৭৭টি

বিশ্ববাজারে হুহু করে বেড়েই চলেছে জ্বালানি তেলের দাম

যুক্তরাষ্ট্র নেতৃত্বাধীন ৬জি জোটে যোগ দিল ভারত

ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলায় সৌদি আরবে আহত ৭৩

ইরানে ছোট গোল আলুর জন্য বড় বিল দিচ্ছেন ট্রাম্প

সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদের সম্পদ বিবরণী অনুসন্ধানে দুদকের কর্মকর্তা নিয়োগ

প্যারিসে গ্যাস বিস্ফোরণে দুই বছরের বাংলাদেশি শিশুর মৃত্যু, আহত ৭

পুতিন, ট্রাম্প ও শি জিনপিংয়ের ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের ইঙ্গিত দিলো মস্কো

১০

সংসদ থেকে বিরোধী দলের ওয়াকআউট

১১

ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৬১ বাণিজ্য বাধার মধ্যে ৪৮টির সমাধান

১২

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের গাড়িবহরকে লাল কার্ড, ছাত্রদল নেতার দাবি—জনভোগান্তির প্রতিবাদ

১৩

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানিতে বড় ধস, কমেছে ৩৯ শতাংশ

১৪

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এলাকা ছেড়ে পালালো মার্কিন দুই যুদ্ধজাহাজ

১৫

কবর থেকে পীর শামীমের দেহাবশেষ তুলে দরবারে নিয়ে গেল ভক্তরা

১৬

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩৪

১৭

৫০০ বছরের পুরোনো মানচিত্র বদল, বিশ্বকে নতুনভাবে দেখাবে জাতিসংঘ

১৮

রাজধানীতে কালো ধোঁয়ার গাড়ি দেখলেই ব্যবস্থা

১৯

ডাক বিভাগের রেকর্ড: ২ মাসে পণ্য পরিবহন ৪০০ টন

২০