ইরান যুদ্ধের পর আমার ক্ষমতার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই- ট্রাম্প - সমকন্ঠ
শুক্রবার , ১৯ জুন ২০২৬
সমকন্ঠ
১৯ জুন ২০২৬, ১:৫৪ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ইরান যুদ্ধের পর আমার ক্ষমতার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই- ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধে বৈশ্বিক এবং যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নিজের ক্ষমতা ব্যাপকভাবে বেড়েছে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন প্রতিরক্ষা বাহিনীকে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সেনাবাহিনী বলেও দাবি করেছেন তিনি।

গতকাল মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। সেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, ইরানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার প্রয়োগ এবং তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে নতুন কোনো শিক্ষা কিংবা ধারণা তিনি পেয়েছেন কি-না।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত অ্যাক্সিওস-এর সাথে এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, এই সংঘাতের ফলে তিনি রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার প্রয়োগ ও সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে কী শিখেছেন।

জবাবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, তেমন কোনো ধারণা এখনও পাইনি। তবে আমি অনুভব করতে পারছি যে আমার ক্ষমতার কোনো সীমা নেই। হ্যাঁ, আমি জানি যে সীমা আছে, কিন্তু এখানে কোনো সীমা-পরিসীমা নেই। আমরা সামরিকভাবে তাদের সম্পূর্ণ পরাজিত করেছি।

আর সত্যি বলতে, বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সামরিক বাহিনী আমাদের আছে। এমন অবরোধ আর কে করতে পারত? আমি যখন নৌ অবরোধের নির্দেশ দিয়েছিলাম, ইরানের একটি জাহাজও বন্দর থেকে বেরোতে পারেনি। কয়েক বার তারা চেষ্টা করেছিল, কিন্তু (তাদের) প্রতিটি চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে, আপনি জানেন।

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরুর কিছুদিন পর থেকে ট্রাম্প বলে আসছিলেন, তেহরানের কাছ থেকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ চান তিনি। ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তি তার সেই ইচ্ছে পূরণ করেছে কি-না— এমন প্রশ্নের উত্তরে ট্রাম্প বলেন, বেশ, আমি মনে করি এটি সম্ভবত নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ।

উল্লেখ্য, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে টানা ৪০ দিন সংঘাত এবং তারপর ৮ এপ্রিল থেকে ২ মাসেরও বেশি সময় ধরে ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতির পর ১৭ জুন প্যারিসে শিল্পোন্নত ৭ দেশের জোট জি-৭ সামিটের সম্মেলনে ইসলামাবাদ সমঝোতা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এ সময় তার পাশে ছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প চুক্তিতে স্বাক্ষর করার কিছুক্ষণ পর তেহরানে নিজের দপ্তরে চুক্তি স্বাক্ষর করেন প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান।

চুক্তিস্বাক্ষরের পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ মোজতবা খামেনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, তিনি নীতিগতভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তিতে রাজি ছিলেন না, কিন্তু ট্রাম্পের মরিয়া প্রচেষ্টা এবং প্রভাব খাটানোর কারণে শেষে চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি হয়েছে ইরান।

সূত্র : এক্সিওস, আনাদোলু এজেন্সি

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

ইরান যুদ্ধের পর আমার ক্ষমতার কোনো সীমা-পরিসীমা নেই- ট্রাম্প

জোট ছাড়াই স্থানীয় সরকার নির্বাচনে লড়ার প্রস্তুতি এনসিপির

যুক্তরাষ্ট্রে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের গাড়িতে গুলি, নিহত ১

পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত, হুঁশিয়ারি পাকিস্তানের

নতুন সমীকরণে লাভবান ইরান, উদ্বেগে প্রতিবেশী ও প্রতিদ্বন্দ্বীরা

নাইজারের বিমানবন্দরে সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলা, নিহত ৩৫

মেসির বাবার মৃত্যুর খবর প্রচার করে চাকরি হারালেন উপস্থাপিকাসহ পুরো টিম

১৫ বছরের নিচে সোশ্যাল মিডিয়া নিষিদ্ধ করল সংযুক্ত আরব আমিরাত

সাংবাদিক কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের ‘ জীবন ও কর্ম ‘ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত

পরীমণিকাণ্ডে এডিসি সাকলায়েনকে বাধ্যতামূলক অবসর

১০

চলতি অর্থবছরে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৩৪.৫৭ বিলিয়ন ডলার

১১

খুলনায় গৃহকর্মী নির্যাতনের ঘটনায় সেই পুলিশ দম্পতি কারাগারে

১২

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানালেন জামায়াত আমির

১৩

উরুগুয়ের বিপক্ষে নামার আগে মায়ের দেখা হবে ভোজিনহার

১৪

ব্যাংক খাতে লোকসান বেড়ে ১ লাখ ৩৬ হাজার কোটি টাকা

১৫

মোদি দেখতে অত্যন্ত ভদ্র হলেও বাস্তবে ‘টোটাল কিলার’- ট্রাম্প

১৬

গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিতে কাজ করবে সরকার- তথ্যমন্ত্রী

১৭

ইরান শক্ত অবস্থানে থেকেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা করছে- গালিবাফ

১৮

প্রথমে মালয়েশিয়া ও পরে চীন সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, বৈঠক হবে শি’র সঙ্গে

১৯

ইংলিশ চ্যানেলে রাশিয়ার গুলিবর্ষণ, ‘বেপরোয়া’ বললেন স্টারমার

২০