কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রায় ৩২ বছর আগে ৫৫ শতাংশ জমির টাকা পরিশোধ করা হলেও এখন পর্যন্ত সম্পূর্ণ জমি রেজিস্ট্রি না করার অভিযোগ উঠেছে মালিকপক্ষের একাংশের বিরুদ্ধে। এছাড়াও রেজিস্ট্রি না হওয়া জমি বেশি দামে অন্যত্রে বিক্রি করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে।মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের চড়াইকোল গ্রামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী মৃত এস এম আলাউদ্দিনের দুই ছেলে এস এম সুমন ও রাজেশ খান এমন অভিযোগ করেন।
তারা বলেন, প্রায় ৩২ বছর বছর আগে দুই ভাই ইসমাইল শেখ ও জেহের মালিথার কাছ থেকে চড়াইকোল মৌজায় ৪০৫ নম্বর দাগে ৫৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিল তিন ভাই এস এম আলাউদ্দিন, জালাল উদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিন। জমি ক্রয়ের পর থেকেই উক্ত জমি তিন ভাই ও তাদের ওয়ারিশগনের ভোগদখলে রয়েছে। কিন্তু উভয়পক্ষ নিকটতম আত্মীয় – স্বজন হওয়ায় সময়মত জমি রেজিস্ট্রি করা হয়নি। সম্প্রতি বিক্রেতা দুই ভাই মারা গেলে ২০২৫ সালে তাঁদের ওয়ারিশগণের অধিকাংশ ব্যক্তি ৩৫ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেন। কিন্তু অতিরিক্ত টাকার লোভে এখনও ১৯ শতাংশ জমি রেজিস্ট্রি করে দেননি একাংশের ওয়ারিশগণ।
তারা আরো বলেন, ইসমাইলের চার মেয়ে বেবী, আছমা, চায়না ও জুলি এবং জেহের বংশধর মিরাজ মালিথা দড়িগা গ্রামের আনোয়ারের নির্দেশে অবশিষ্ট জমি রেজিস্ট্রি করে দিচ্ছেনা। দ্রুত রেজিস্ট্রি না করে দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ভুক্তভোগী এস এম সুমন, সংবাদ সম্মেলনে বলেন, প্রায় ৩২ বছর বছর আগে দুই ভাই ইসমাইল শেখ ও জেহের মালিথার কাছ থেকে চড়াইকোল মৌজায় ৪০৫ নম্বর দাগে ৫৫ শতাংশ জমি ক্রয় করেছিল তিন ভাই এস এম আলাউদ্দিন, জালাল উদ্দিন ও গিয়াস উদ্দিন। জমি ক্রয়ের পর থেকেই উক্ত জমি তিন ভাই ও তাদের ওয়ারিশগনের ভোগদখলে রয়েছে। কিন্তু উভয়পক্ষ নিকটতম আত্মীয় – স্বজন হওয়ায় সময়মত জমি রেজিস্ট্রি করা হয়নি। এখন ইসমাইল শেখের দুই মেয়ে এখন জমি অন্য জায়গা বিক্রি করে দিছে। দ্রুত ক্রয়কৃত জমি রেজিস্ট্রি না করে দিলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আর এক ভুক্তভোগী রাজেশ খান বলেন, অতিরিক্ত টাকার লোভে বর্তমান ওয়ারিশগণ জমি রেজিস্ট্রি না করে প্রতারণার পাঁয়তারা করছেন। প্রতারকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি।
অভিযুক্ত জুলি বলেন , সেসময় বাবা জমি বিক্রি করেছিল কি না, তা জানা নেই। সেজন্য বেশি দামে অন্য কারো কাছে উক্ত জমি বিক্রি করা হয়েছে।
মন্তব্য করুন