জ্বালানিতে অতিরিক্ত ব্যয়ের তথ্য আইএমএফকে জানিয়েছে বাংলাদেশ- অর্থমন্ত্রী - সমকন্ঠ
রবিবার , ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সমকন্ঠ
২৪ মার্চ ২০২৬, ৩:৫৭ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

জ্বালানিতে অতিরিক্ত ব্যয়ের তথ্য আইএমএফকে জানিয়েছে বাংলাদেশ- অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জ্বালানী আমদানির জন্য যে অতিরিক্ত অর্থ প্রয়োজন, সে বিষয়েও আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে আইএমএফের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আইএমএফের এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি প্রথমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে তারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেন।

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি আমদানিতে অতিরিক্ত ব্যয় হবে। সরকার এটি দেবে কি না, জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি আলোচনার মধ্যে এসেছে। আমরা স্প্রিং মিটিংয়ে ওয়াশিংটনে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপট জটিল। ব্যাংকিং খাত, শেয়ার বাজারে চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ট্যাক্স ও জিডিপি নিয়ে উদ্বেগ আছে। সরকার মাত্র এক মাস পূর্ণ করেছে। রমজান মাসও এই সময়ে ছিল। এ অবস্থার মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে। তবুও জ্বালানি সংকটের প্রভাব সত্ত্বেও পরিবহন খাতে কোনো বড় সমস্যা হয়নি। ঈদে সবাই বাড়ি যেতে পেরেছে, ভাড়া বাড়েনি, দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিল। এবার গার্মেন্টস খাতে অস্থিরতা হয়নি। এটি সম্ভব হয়েছে সঠিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার কারণে।

অর্থমন্ত্রী আরোও বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার ফলে এসব সুফল এসেছে। আমরা চেষ্টা করছি, কিন্তু সরকার একা সব করতে পারবে না। দেশবাসীর সহযোগিতা প্রয়োজন। সবাইকে সহানুভূতিশীল হতে হবে, সংযম বজায় রাখতে হবে।

তিনি জানান, আইএমএফের ঋণ ছাড় সংক্রান্ত বিষয়ে জুলাইতে আলাপ হবে এবং পরে রিভিউ হবে। এপ্রিলে ওয়াশিংটনে বৈঠক রয়েছে, সেখানেও আলোচনা হবে।

ঋণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, আলোচনা চলছে। আইএমএফের যে শর্তাবলী আছে, সেগুলো নিয়ে আলোচনা চলছে। যেগুলো এখন সম্ভব নয়, সেগুলোকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করতে হবে। একসাথে সব করা সম্ভব নয়। অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে আমাদের নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে হবে।

আমির খসরু বলেন, আইএমএফের সঙ্গে আমাদের কয়েক বছরের প্রোগ্রাম চলছে। পূর্ববর্তী সরকার যা রেখেছে, তা থেকে উত্তরণের জন্য অনেক সংস্কারের প্রয়োজন। ব্যাংকিং খাত অত্যন্ত দুর্বল, শেয়ার বাজার খারাপ, ট্যাক্স ও জিডিপি পরিস্থিতি জটিল। তাই আমরা একের পর এক পদক্ষেপ নিয়ে এগোচ্ছি।

উন্নয়ন প্রকল্প বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক উন্নয়ন প্রকল্প থমকে আছে। অন্তর্বর্তী সরকার সময়ের মধ্যে অনেক কিছু স্থগিত করেছে। এগুলো পুনরুজ্জীবিত করতে হলে অর্থনীতিকে স্থিতিশীল করতে হবে। এজন্য ইতিমধ্যেই কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, আরও কিছু নিতে হবে। যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার প্রভাব আগামী বাজেটে দেখা যাবে।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চের গাড়িবহরকে লাল কার্ড, ছাত্রদল নেতার দাবি—জনভোগান্তির প্রতিবাদ

মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল রপ্তানিতে বড় ধস, কমেছে ৩৯ শতাংশ

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এলাকা ছেড়ে পালালো মার্কিন দুই যুদ্ধজাহাজ

কবর থেকে পীর শামীমের দেহাবশেষ তুলে দরবারে নিয়ে গেল ভক্তরা

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৪৩৪

৫০০ বছরের পুরোনো মানচিত্র বদল, বিশ্বকে নতুনভাবে দেখাবে জাতিসংঘ

রাজধানীতে কালো ধোঁয়ার গাড়ি দেখলেই ব্যবস্থা

ডাক বিভাগের রেকর্ড: ২ মাসে পণ্য পরিবহন ৪০০ টন

তারেক রহমানের সফর নিয়ে জানানোর মতো তথ্য নেই: নয়াদিল্লি

দেশের অস্ত্র ঘাটতির সংবাদ প্রকাশকারীরা ‘দেশদ্রোহী’: ট্রাম্প

১০

বাংলাদেশসহ ৩১ দেশের মাল্টিপল এন্ট্রি ভিসা বাতিল করল মালয়েশিয়া

১১

দীর্ঘায়িত হচ্ছে ট্রাম্পের ইরান যুদ্ধ, প্রস্তুতি চলছে ২০২৭ সালের

১২

হরমুজ প্রণালিতে সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া

১৩

সেফটি ভালভের ত্রুটিতে রূপপুরের বিদ্যুৎ উৎপাদন ফের অনিশ্চয়তায়

১৪

যুক্তরাষ্ট্র কখনোই বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু বানায় না

১৫

কাবাডি খেলায় হেরে যাওয়ায় শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাত

১৬

সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু নয়, সবাইকে বাংলাদেশি ভাবার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

১৭

মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ট্রাম্প-আমিরাত প্রেসিডেন্টের জরুরি ফোনালাপ

১৮

রোগী সেজে তথ্য সংগ্রহের পর কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে দুদকের অভিযান

১৯

নভেম্বর পর্যন্ত ইরান যুদ্ধের পক্ষে না ট্রাম্পের সহযোগীরা

২০