ঘন কুয়াশা ও কনকনে শীতে কাঁপছে উত্তরের সীমান্তঘেষা জেলা কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলা। সন্ধ্যার পর নামছে ঘন কুয়াশা, সঙ্গে বাড়ছে শীতের তীব্রতা। ফলে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন খেটে-খাওয়া দিনমজুর ও নিম্নআয়ের শ্রমজীবী মানুষরা।
রোববার (৪ জানুয়ারি) সকাল ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৯ শতাংশ ছিল।
হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত এ অঞ্চলে দিন দিন শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। দিনের তাপমাত্রা কমে যাওয়ায় উপজেলা জুড়ে শীতের প্রভাব বেড়েছে। এতে চরাঞ্চলের বাসিন্দারা বিশেষ করে শিশু ও বৃদ্ধরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।
উপজেলার কুরুষাফেরুষা এলাকার দিনমজুর আবুল হোসেন ও বাবুল চন্দ্র রায় জানান, এতো বেশি ঠান্ডায় ঘর থেকে বের হয়ে খেতে-দাতে কাজ করা খুব কঠিন হয়ে গেছে। হাত-পা কাঁপছে, শরীর শীতল হয়ে যাচ্ছে। এমন ঠান্ডা আগে দেখিনি।
রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার বলেন, আজ সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা এইরকম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। উত্তরের হিমেল বাতাস ও আর্দ্রতার কারণে শীতের অনুভূতি আরও তীব্র হয়েছে।
তিনি আরও জানান, শীতার্ত মানুষদের জন্য সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি পর্যায়ে পর্যাপ্ত শীতবস্ত্র বিতরণ ও মানবিক সহায়তা জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে।
মন্তব্য করুন