কুষ্টিয়া মিরপুর বারুইপাড়া ইউনিয়ন ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে স্কুলের রুম থেকে রাতে অজ্ঞান ও মুখে টেপ লাগানো অবস্থায় উদ্ধার করেছে গ্রামবাসী।
গতকাল (৯ এপ্রিল) সকাল ৯ ঘটিকার সময় ছত্রগাছা মাধ্যমিক বিদ্যালয় দশম শ্রেণীর বিদায় অনুষ্ঠানে যায়। বিদায় অনুষ্ঠান শেষে ওই ছাত্রী তার নিজ বাড়িতে ফিরে আসে না। বেশ কিছু সময় কেটে যায়, একপর্যায়ে তাকে না পেয়ে তার বাড়ির লোকজন খুঁজতে শুরু করে। অনেক খোঁজাখুঁজির পরে না পেয়ে রাত ৮ ঘটিকার সময় বিদ্যালয়ের পিয়ন হামিদুল এর কাছে জানতে চাই বিদ্যালয়ে মেয়েটিকে দেখেছে কিনা বা বিদ্যালয় আটকা পড়েছে কিনা। কিন্তু বিদ্যালয়ের পিয়ন সরাসরি বলে বিদ্যালয় কেউ নেই, চাবি দেয়া যাবে না, চাবি দিলে সমস্যা কি তা প্রশ্ন করেন উপস্থিত অনেকেই ? তারপরও পিয়ন চাবি দিতে রাজি না হওয়ায় গ্রামবাসীর সন্দেহ হয় এবং বিদ্যালয়ের পিয়নের সাথে একপর্যায়ে হাতাহাতি করে চাবি নিয়ে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে গ্রামবাসী। তারা দেখতে পায়, স্কুলের মেয়েটির অজ্ঞান ও মুখে টেপ মারা অবস্থায় তিন তলায় রুমে পড়ে আছে। গ্রামবাসী মেয়েটিকে উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে আসে। এবং ট্রিপল নাইন এর সহযোগিতায় মিরপুর থানা পুলিশকে অবগত করলে, মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে মেয়েটিকে কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালে রেফার করে।
মিরপুর থানা পুলিশের ওসি তদন্ত আব্দুল আজিজ মিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে মেয়েটির পরিবারকে আশ্বাস দেন মেডিকেল রিপোর্টের পরে এর সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। মেয়েটির জ্ঞান ফিরলে আরো বিস্তারিত জানা যাবে।
এর আগেই ওই পিয়ন কে আটকের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
মন্তব্য করুন