আমাদের আমিরে জামাতের উপর মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে মেয়েদের চরিত্র হননের যে দুরবিসন্ধি যারা চালিয়েছে আশা করছি আর ৯ দিন সময় আছে এই ৯দিন পরে ইনশাল্লাহ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী আমিরে জামাত ডা: শফিকুর রহমান। এটাই পৃথিবীর ইতিহাস বলে।
মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) কুষ্টিয়া-৩ সদর আসনের জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও ইসলামী বক্তা মুফতি আমির হামজা নির্বাচনী প্রচারণায় মহিলাদের উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, এর আগে যার যার একাউন্ট হ্যাক হয়েছিল। মিথ্যা কথা ছড়িয়েছিল যাদের নামে আল্লাহ তাদের ক্ষমতায় বসিয়ে দিয়েছে। যেসব ষড়যন্ত্র বিরোধীদলের লোকরা শুরু করেছে তাদেরকে বলব ২০০৯ সালে ১৫ জানুয়ারি একটা অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছিল বারাক ওবামার। ২০ শে জানুয়ারি প্রেসিডেন্ট হয়েছিল। এরপরে জো বাইডেনের একাউন্টও হ্যাক হয়েছিল নির্বাচনের ৭ দিন আগে। ৭ দিন পরে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হয়ে ছিলেন তিনি।
আমরাও চাচ্ছি আগামীতেও দেখব ইনশাল্লাহ জামায়াতে ইসলামী আগামী রাষ্ট্র ক্ষমতায় এবং ডা: শফিকুর রহমান মানবিক একজন যিনি সবার জন্য মায়া করে থাকেন তার কাছে দল-মত কোন বিভেদ নেই, বর্ণ ধর্ম নেই তার কাছে সবাই সমান এরাম একটা মানুষ ক্ষমতায় আসলে সবাই শান্তিতে থাকতে পারবেন।
আমির হামজা বলেন, মেয়েরা যেন বাড়িতে বসে সম্মানজনক কাজ করতে পারে। তারা যেন নিরাপত্তার সাথে নিরাপদে কিছু টাকা আয় করে সংসারের হাল ধরতে পারে। হস্তশিল্পের কিছু কাজ আছে এগুলো আমরা শিখিয়ে আপনাদের আয়ের ব্যবস্থা করে দেব। এটা আমরা বাস্তবে করিয়ে দেখিয়ে দেব। প্রত্যেকের যদি সম্মানজনক কাজ হয় প্রতিমাসে অন্তত চলার মত যদি টাকা পাই তাহলে কেউ কি আগুনের শয়তান ধরার সুযোগ পাবে। আমরা এই ব্যবস্থা করতে যাচ্ছি এজন্য আপনাদের সাথে রাখতে চাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, আশা করছি দাড়িপাল্লায় ভোট দেবেন। আর এই দেশটাকে নিরাপদে রাখার জন্য আগামীতে কেউ যেন সন্ত্রাসী ফ্যাসিস্ট না হয়ে উঠতে পারে এরকম একটা শান্ত বাংলাদেশ তৈরি করতে হ্যাঁ ভোট দেবেন। দাঁড়িপাল্লায় তো ভোট দেওয়াই লাগছে পাশাপাশি হ্যাঁ ভোট দেওয়া লাগবে। পাশাপাশি দুইটা ভোট থাকবে আপনারা হ্যাঁ তে ভোট দেবেন।
আমির হামজা বলেন, চার-পাঁচটা দিন কষ্ট করেন। আল্লাহর যদি ইচ্ছা হয় তাহলে আমরা সামনে শান্তির সূর্য দেখতে পারব। আমাদের সময়টা যদি কাজে লাগাতে ব্যর্থ হই তাহলে আমাদের সারা জীবন আফসোস করা লাগবে। প্রশ্ন আসতেই পারে এই ভোটের জন্য আফসোস কিসের? আল্লাহর বিধান যদি আমরা কায়েম করতে না পারি মানুষের তৈরি বিধান দিয়ে কি হবে তা আপনারা দেখছেন না ৫৪ বছরে। কেউ আমরা শান্তিতে নেই।
যৌতুক সম্পর্কে তিনি বলেন, মুসলিম দেশে মেয়েদের যেভাবে বিয়ে হয় বিয়ে হওয়ার সময় মেয়ের বাবাকে টাকা দেওয়া লাগে। আর আমাদের দেশে ছেলের পরিবারকে টাকা দেওয়া লাগে। আমরা মুসলিম দেশের এই সিস্টেমে নিয়ে আসতে চাই। আপনার বিয়ের সময় বাবার যদি ২-৪ লাখ ৫ লাখ খরচ হয় তাহলে সেটা বাবার জন্য বোঝা এবং বাবা মায়েরা মন খারাপ করে থাকে। তারা মনে মনে বলে মেয়ে জন্ম দিয়ে পাপ করেছি।
তিনি আরও বলেন, এই যৌতুক নামে যে কৌতুক চলছে এইটা বাংলাদেশ জামাতে ইসলামী আসলে তুলে দেবে। আপনারা এটা চান? যারা এটা করে খাই তারা কি এটা মানবে না। এইজন্যে আপনারা দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকেন। আপনাদের বহু আকাঙ্খা যেটা আছে আমরা সেটা পূরণ করার চেষ্টা করব।
মুফতি আমির হামজা বলেন, আমার সাথে যারা এসেছেন জামায়াতে ইসলামী দল করেন তারা এক টাকা মেরে খাবেনা। এখানে যা আসবে এরা শুধু পৌঁছে দেবে। আমাদের আমির বলে দিয়েছেন আমরা শাসক হবো না জনগণের সেবক হবো। আপনারা সেবা করার সুযোগ দেন। অন্যান্য যারা আসবে তারা সেবা করবে না। তারা বলবেও না করবেও না। তারা যে সেবা করবে না তার বাস্তব প্রমাণ।
মুফতি আমির হামজা আরও বলেন, তারা ধোকা দিয়ে বোকা বানাতে চাচ্ছে যেমনটি হাসিনা বানিয়েছিল। বলেছিল সে ১০ টাকা কেজি চাল খাওয়াবে। সেকি খাইয়ে ছিল? ঘরে ঘরে চাল পৌঁছে দেবে দিয়েছে? সে ঘরে ঘরে মামলা দিয়েছে। আর এরা এখন শুরু করেছে ফ্যামিলি কার্ড ডিজিটাল কার্ড স্বাস্থ্য কার্ড এসব ভুয়া। তারা কি টাকার মেশিন ছাপিয়েছে যে তারা দিয়ে দেবে। কার্ড একটা আমাকে দিয়েন আমিও পরীক্ষা করে দেখব যে কার্ডের ভিতরে কোন মাল পানি আছে কিনা।
তিনি বলেন, তারা বলছে এই কার্ড দোকানে নিয়ে গেলে দোকানদার মাল দিয়ে দেবে। কেন দোকানদার চলবে কি দিয়ে? তারা বলছে এসব কার্ড ফার্মেসিতে নিয়ে যাও ফার্মেসি টাকা নেবে না। ফার্মেসিতে তো লাল বাতি জ্বলবে তার ব্যবসায়। এই কার্ড নিয়ে গেলে আপনার বীজ সার তেল পানি সব ফ্রি দেবে এসব অবান্তর ভুয়া কথা শুনলে মনে হয় এরা মেয়াদ উত্তীর্ণ গাঁজা খেয়েছে। গাঁজা তো এমনি খেলে মাথা খারাপ হয়ে যায় আর এরাতো মেয়াদ ছাড়া তারা গাঁজা খেয়েছে। এজন্যেই তারা ভুল বকছে। এদের মিথ্যা কথা আগামীতে আর অন্তত পা না দেই। এবার যারা সিদ্ধান্ত ভুল করবে তাদের জীবনে কষ্ট আছে।
সন্ত্রাসী কার্যকলাপ নিয়ে আমির হামজা বলেন, আমাদের জেলায় সন্ত্রাসী কাজকারবার বেশি হয় কুষ্টিয়া জেলায়। আমরা চাই সন্ত্রাসীদের মাজা ভেঙ্গে দিতে। আমরা চাই আপনারা ঘরের দরজা খুলে ঘুমাবেন। তিনি হাস্যজ্জল হয়ে বলেন আসলে দরজা খুলে না। দরজা খুলে ঘুমালে যেভাবে নিরাপত্তা বোধ করেন সেভাবে আপনারা নিরাপদে থাকবেন। সবাই দাঁড়িপাল্লার পক্ষে থাকবেন বলে আশা
মন্তব্য করুন