ক্ষমা চাইলেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট - সমকন্ঠ
রবিবার , ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সমকন্ঠ
২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৩:০৩ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

ক্ষমা চাইলেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট

বিতর্কিত সামরিক আইন বা ‘মার্শাল ল’ জারির মাধ্যমে ২০২৪ সালে জনজীবনে ভোগান্তি সৃষ্টির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন দক্ষিণ কোরিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইয়োল। রাষ্ট্রদ্রোহের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার একদিন পর শুক্রবার তিনি এই ক্ষমা প্রার্থনা করেন। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।

বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সিউল সেন্ট্রাল ডিস্ট্রিক্ট কোর্ট ইউনকে দোষী সাব্যস্ত করে। রায়ে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে পার্লামেন্টকে অচল করে দিতে তিনি যে বিদ্রোহের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, তা ছিল রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল।

সামরিক শাসন জারির চেষ্টার ফলে জনমনে যে ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছিল, তা স্বীকার করেছেন ইউন। তবে তিনি দাবি করেছেন, এই পদক্ষেপ তিনি ‘সম্পূর্ণভাবে জাতির স্বার্থে’ নিয়েছিলেন।

তাঁর আইনজীবীর মাধ্যমে দেওয়া এক বিবৃতিতে ইউন বলেন, দেশকে রক্ষার সংকল্প থাকা সত্ত্বেও আমার অদূরদর্শিতার কারণে জনগণের যে ভোগান্তি ও হতাশা হয়েছে, সেজন্য আমি আন্তরিকভাবে ক্ষমা চাচ্ছি।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায়কে ‘মেনে নেওয়া কঠিন’ বলে মন্তব্য করলেও ইউন উচ্চ আদালতে আপিল করবেন কিনা, সেই বিষয়ে কোনো ইঙ্গিত দেননি। ৬৫ বছর বয়সী সাবেক এই প্রেসিডেন্ট কবে নাগাদ প্যারোলে মুক্তি পাবেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

তবে দেশটিতে সাধারণত যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত কয়েদিরা ২০ বছর সাজার পর প্যারোলের আবেদন করতে পারেন। বিচারক জি গুই-ইয়ন তার রায়ে বলেন, ইউন রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের কণ্ঠরোধ করতেই পার্লামেন্ট ভবনে সেনা পাঠিয়েছিলেন। ইউন চেয়েছিলেন দীর্ঘ সময়ের জন্য দেশের আইনসভাকে অচল করে দিতে।

২০২৪ সালের ৩ ডিসেম্বর মধ্যরাতে টেলিভিশনে এক আকস্মিক ভাষণে ইউন সুক ইয়োল সামরিক আইন জারির ঘোষণা দেন। সেই সময় তিনি উত্তর কোরিয়ার প্রভাব এবং তথাকথিত ‘রাষ্ট্রবিরোধী শক্তির’ দোহাই দিয়ে বেসামরিক সরকার স্থগিত করার কথা বলেছিলেন।

তবে এর ছয় ঘণ্টা পরেই আইনপ্রণেতারা পার্লামেন্ট ভবনে জড়ো হয়ে জরুরি ভোটের মাধ্যমে সেই মার্শাল ল বাতিল করে দেন।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

কুষ্টিয়ায় বড় ভাইয়ের হাসুয়ার আঘাতে ছোট ভাই নিহত

ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে এনসিপির মেয়র প্রার্থী ঘোষণা

ডাকসুর পরবর্তী নির্বাচন নিয়ে নির্লিপ্ত প্রশাসন, অভিযোগ সাদিক কায়েমের

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে গ্রেপ্তার ৬২৯, উদ্ধার অস্ত্র-মাদক

গুলশানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগের মিছিল: গ্রেপ্তার ২৪ আসামির ১০ দিনের রিমান্ড

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ‘পাহারাদারের’ কোনো প্রয়োজন নেই: ইরানের প্রেসিডেন্ট

কুষ্টিয়ায় পদ্মায় পিলারের ধাক্কায় নৌকা দুর্ঘটনা, ছাত্রদল নেতা নিখোঁজ

শত শত ইয়েমেনি শরণার্থীদের উদ্ধার করেছে জিবুতি

অভিভাবক-দর্শকদের অশোভন আচরণ নিয়ন্ত্রণে চালু হচ্ছে ‘কালো কার্ড’

ইয়েমেনের হুথিরা ছদ্মবেশী যুদ্ধকৌশলে পারদর্শী

১০

ইরানের সঙ্গে বর্ডার বন্ধ করছে ইরাক

১১

ইসরায়েল অধিকৃত সিরিয়ায় নেতানিয়াহু, প্রতিবাদ সৌদি আরবের

১২

এআই ব্যবহার করে ক্ষেপণাস্ত্রের সফটওয়্যার তৈরি করেছে হুথিরা

১৩

চুক্তি সত্ত্বেও লেবাননে হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েল

১৪

ইরান-মার্কিন আলোচনা পুনরায় শুরু করতে চেষ্টা চালাচ্ছে পাকিস্তান

১৫

কুমারখালীতে সারের ডিলারকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা

১৬

বিশ্বকাপ ফাইনালের ভেন্যু ঘোষণা মরক্কোর, ফিফা বলছে চূড়ান্ত নয় এখনও!

১৭

সৌদি আরবে হামলায় ক্ষুব্ধ পাকিস্তান, মক্কা চুক্তি সক্রিয়ের হুঁশিয়ারি

১৮

রিমান্ড শেষে কারাগারে ডন, ঘটনায় তার জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পেয়েছে সিআইডি

১৯

স্পেনে আরও একটি ক্লাব কিনছেন মেসি

২০