খুলনায় আওয়ামী লীগ ও হিন্দু ভোট টানতে মরিয়া বিএনপি-জামায়াত - সমকন্ঠ
শনিবার , ১৩ জুন ২০২৬
সমকন্ঠ
৯ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৫২ অপরাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

খুলনায় আওয়ামী লীগ ও হিন্দু ভোট টানতে মরিয়া বিএনপি-জামায়াত

শীতের হিমেল হাওয়া যতই বাড়ছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে খুলনা জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রচার-প্রচারণাও ততই বাড়ছে। প্রতিদিন ভোরে কুয়াশার চাদর ভেদ করে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীসহ নেতাকর্মীরা ভোটারদের মন জয় করতে প্রচার-প্রচারণায় বেরিয়ে পড়ছেন। গভীর রাত পর্যন্ত চলছে এই প্রচার-প্রচারণা। দিচ্ছেন নানান ধরনের প্রতিশ্রুতি।

জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আগে ভাগে প্রচার-প্রচারণায় মাঠে নামলেও পিছিয়ে নেই বিএনপির নেতাকর্মীরা। গত মাসের শুরুর দিকে বিএনপি সম্ভাব্য প্রার্থীদের নাম ঘোষণার পর দলটির নেতাকর্মীরা জোরেশোরে নেমে পড়েন ভোটের মাঠে। প্রার্থী ঘোষণা না করলেও ভোটের তৎপরতা শুরু করেছেন ছোট-বড় আরো বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীরা। ফলে তপশিল ঘোষণার আগেই গণসংযোগ, উঠান বৈঠক, মোটরসাইকেল র‍্যালি, পথসভা ও সমাবেশসহ নানা ধরনরে তৎপরতায় সরগরম খুলনার নির্বাচনী মাঠ।

এদিকে, আওয়ামী লীগ নির্বাচনে না থাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী দুই দলই চেষ্টা করছে দলটির সমর্থক ও ভোটারদের কাছে টানতে। তবে এবারের নির্বাচন বিএনপির অভ্যন্তরীণ বিভাজন বিপাকে ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনীতি সচেতনরা।

খুলনা-১ আসন (দাকোপ-বটিয়াঘাটা): আসনটি দীর্ঘদিন থেকে আওয়ামী লীগের ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। সর্বশেষ ১৯৯১ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগ এ আসনটি ধরে রেখেছিল। তবে দলটি এবার মাঠে নেই। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এ আসনটিতে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রার্থী পরিবর্তন করে ডুমুরিয়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর হিন্দু কমিটির সভাপতি কৃষ্ণ নন্দীকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে। গত শুক্রবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেছেন তিনি।

অন্যদিকে, এই আসনে গত বৃহস্পতিবার বিএনপি জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক কুদরতই-আমির এজাজ খানকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করে। যিনি ২০০১, ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী হিসেবে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক ভোট পেয়েছিলেন। এ আসনটিতে ১৯৯৬ সালে শেষবার জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী দিয়েছিল। কৃষ্ণ নন্দীকে প্রার্থী করে জয়ের স্বপ্ন দেখছেন দলটির নেতাকর্মীরা। তবে আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে কৃষ্ণ নন্দীকে হিন্দুসহ এ আসনের সংখ্যালঘুরা কীভাবে নেবে সে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে সাধারণ মানুষের মধ্যে।

সাধারণ ভোটাররা জানান, এর আগে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আমির এজাজ খান তিন বার নির্বাচন করেছেন। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এ আসনটিতে তিনি বিএনপিকে জনপ্রিয় করেছেন। এছাড়া তিনি এই আসনের বাসিন্দা। প্রতিটি ইউনিয়ন, গ্রাম, ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। আওয়ামী লীগের ভোট তার ব্যালটেই পড়বে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। অন্য প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মাওলানা আবু সাঈদ ও বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষে দাকোপ উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান কিশোর কুমার রায়ও জোরেশোরে প্রচার চালাচ্ছেন।

খুলনা-২ আসন (সদর-সোনাডাঙ্গা): খুলনা সিটি করপোরেশনের ১৬ থেকে ৩১ নম্বর ওয়ার্ড অর্থাত্ নগরীর সদর ও সোনাডাঙ্গা থানা নিয়ে গঠিত এই আসন। খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে এই আসনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আসন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিএনপির দুর্গ হিসেবে এই আসনটি খ্যাত। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ কোনো নির্বাচনেই এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হারেনি। ১৯৯৬ সালের নির্বাচনের পর থেকে আসনটিতে জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী দেয়নি।

তবে এবার জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী করেছে দলের মহানগর সেক্রেটারি শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালকে। তিনি খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ৩১ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর। আসনটিতে মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জু দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন। তিনি ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ প্রার্থীকে হারিয়ে এ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সেবার খুলনা বিভাগের ৩৬টি আসনের মধ্যে তিনিই শুধু জয়লাভ করেছিলেন। এ আসন থেকে ২০১৮ সালেও বিএনপির প্রার্থী ছিলেন মঞ্জু। ২০২১ সালে দলীয় নেতৃত্ব হারানোর পর কিছুটা কোণঠাসা হলেও রাজনীতি থেকে সরে যাননি তিনি। এবার মনোনয়ন পাওয়ার পর তার অনুসারীরা উচ্ছ্বসিত। এছাড়া, সাধারণ মানুষের মধ্যে তার ব্যক্তি জনপ্রিয়তাও ব্যাপক।

ভোটাররা মনে করছেন, আসনটিতে মূলত বিএনপি প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর সঙ্গে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। তবে মহানগর বিএনপির বর্তমান কমিটির সঙ্গে তার অভ্যন্তরীণ বিভাজন অনেকটাই নির্বাচনী গণিত বদলে দিতে পারে। অবশ্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, ‘সব ভেদাভেদ ভুলে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে ধানের শীষ প্রতীককে বিজয়ী করবে।’

অন্য প্রার্থীর মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী আমান উল্লাহ, গণসংহতি আন্দোলনের খুলনা জেলা আহ্বায়ক মুনীর চৌধুরী সোহেল, খেলাফত মজলিসের মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট শহিদুল ইসলাম মাঠে প্রচারণা চালাচ্ছেন।

খুলনা-৩ আসন: খুলনা সিটি করপোরেশনের (কেসিসি) ১ থেকে ১৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং দিঘলিয়া উপজেলার যোগীপোল ও আড়ংঘাটা ইউনিয়ন নিয়ে এই আসন গঠিত। শ্রমিক-অধ্যুষিত এ এলাকায় অতীতে বিএনপি ও আওয়ামী লীগ পালা করে জিতেছে। খুলনা মহানগরীর এ আসনটিও এক সময় বিএনপির ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত ছিল।
তবে বিগত চারটি নির্বাচনে প্রশাসনের রোষানলে পড়ে রাজনীতির মাঠে পিছিয়ে পড়ে বিএনপি। ২০১৮ সালে বিএনপির ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রকিবুল ইসলাম বকুল এ আসনে দলীয় প্রার্থী ছিলেন, এবারও তাকে প্রার্থী করা হয়েছে। এ আসনে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নেই বললেই চলে। এ আসনেও জামায়াতে ইসলামী ১৯৯৬ সালের পর কখনো প্রার্থী দেয়নি। এবার জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী করেছে দলের মহানগর আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানকে। তিনি জোরেশোরে গণসংযোগ চালাচ্ছেন।

ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী হিসেবে দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির আবদুল আউয়াল প্রচার চালাচ্ছেন। এ আসনের ভোটাররা মনে করছেন, আওয়ামী লীগবিহীন এবারের নির্বাচনে তরুণ ও সাধারণ ভোটার এবং আওয়ামী লীগের ভোট যে প্রার্থী বেশি টানতে পারবেন সেই প্রার্থীই জয়লাভ করবেন।

খুলনা-৪ আসন (রূপসা-দিঘলিয়া-তেরখাদা): রূপসা, দিঘলিয়া ও তেরখাদা উপজেলা নিয়ে গঠিত এই আসন। কখনো বিএনপি, কখনো আওয়ামী লীগের দখলে ছিল আসনটি। ২০১৮ সালের মতো এবারও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির তথ্যবিষয়ক সম্পাদক আজিজুল বারী হেলাল দলীয় প্রার্থী হয়েছেন। দীর্ঘ সময় ধরে তিনি এলাকায় নিয়মিত গণসংযোগ করছেন। এখানে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী খুলনা জেলা কমিটির নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মাওলান কবিরুল ইসলাম। ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদ। তবে ইসলামি দলগুলোর মধ্যে সমঝোতা হলে এই আসনে অধ্যক্ষ ইউনুস আহমাদের প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা আছে। সেক্ষেত্রে বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীর লড়াই হবে।

খুলনা-৫ (ডুমুরিয়া-ফুলতলা): ডুমুরিয়া উপজেলার ১৪টি ও ফুলতলা উপজেলার চারটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত এই আসন। আসনটির শতকরা ৮০ শতাংশ ভোটই ডুমুরিয়া উপজেলার। এ আসনটি আওয়ামী লীগের দুর্গ হিসেবে পরিচিত ছিল। তবে বিএনপিরও বড় একটি ভোট ব্যাংক রয়েছে এ আসনে। ২০০১ সালে এ আসনে বিএনপির নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে ধানের শীষ প্রতীকে বিজয়ী হয়েছিলেন জামায়াতে ইসলামীর বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এবারো জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এ আসনের দলীয় প্রার্থী।

অন্যদিকে, দীর্ঘ ২৯ বছর পর বিএনপি এ আসনে নিজস্ব প্রার্থী দিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও বিসিবির সাবেক চেয়ারম্যান আলী আসগর লবিকে। ২০০১ সালের নির্বাচনে খুলনা-২ আসন থেকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া নির্বাচিত হন। পরে তিনি আসনটি ছেড়ে দিলে উপনির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন আলী আসগর লবি। ডুমুরিয়া উপজেলার লোক হিসেবে আলী আসগর লবি প্রচার-প্রচারণায় সেটি তুলে ধরছেন। এছাড়া ফুলতলা উপজেলাতেও বিএনপির শক্ত অবস্থান রয়েছেন। এ আসনটিতে বিএনপির দৃশ্যমান কোনো কোন্দল নেই। এটিই লবির নির্বাচনের ইতিবাচক দিক।

অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মিয়া গোলাম পরওয়ার ফুলতলা উপজেলার বাসিন্দা। পুরো নির্বাচনী এলাকাতেই তার রয়েছে ব্যক্তিগত ইমেজ। দলীয় সুসংগঠিত কর্মীবাহিনী অনেক আগে থেকেই তার পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় মাঠে নেমেছে। জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও তার জন্য প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে গেছেন। সব মিলিয়ে এ আসনে বিএনপি-জামায়াতে ইসলামীর দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে।

স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, এটি মূলত আওয়ামী লীগের আসন। এখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের উল্লেখযোগ্য ভোটার রয়েছে। নির্বাচনে জিততে আসনটিতে আওয়ামী লীগের ভোট ও হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। তাই বিএনপি ও জামায়াত দুই দলই তাদের ভোট টানতে মরিয়া।

খুলনা-৬ আসন (কয়রা-পাইকগাছা): খুলনা মহানগরী থেকে ৭০ কিলোমিটার দূরে এই আসন। সুন্দরবন-সংলগ্ন ও প্রত্যন্ত এলাকার এ আসনটি ২০০১ সালের নির্বাচনে চারদলীয় জোটের অংশ হিসেবে আসনটি জামায়াতে ইসলামীকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। এবার জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী করা হয়েছে দলের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মওলানা আবুল কালাম আজাদকে। দলীয় প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে নির্বাচনী তৎপরতা চালাচ্ছেন তিনি। এর আগেও তিনি এই আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন।

এ আসনে বিএনপির প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে খুলনা জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব মনিরুল হাসান বাপ্পীকে। তার বাড়ি রূপসা উপজেলায়। অনেকে মনে করছেন, তার বহিরাগত পরিচয় স্থানীয় রাজনীতিতে কিছুটা বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে। তবে, সাংগঠনিকভাবে দক্ষ বাপ্পী ইতিমধ্যে তার নির্বাচনী এলাকায় ব্যাপক সাড়া ফেলেছেন। বাড়ি বাড়ি থেকে ছুটে যাচ্ছেন পাড়া-মহল্লায়। ইসলামী আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারি আসাদুল্লাহ আল গালিব এ আসনে দলের ঘোষিত প্রার্থী।

এদিকে, খুলনার ছয়টি আসনেই প্রার্থী দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে জাপা ও এনসিপি। খুলনা জেলা জাতীয় পার্টির সভাপতি শফিকুল ইসলাম মধু জানান, ইতিমধ্যে ছয় সংসদীয় আসনে জাতীয় পার্টির সম্ভাব্য প্রার্থীর নামের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। শিগগিরই প্রার্থীদের চূড়ান্ত নাম প্রকাশ করা হবে।

জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী মাহমুদুল হাসান ফয়জুল্লাহ জানান, দলের মনোনয়নপ্রত্যাশীরা মনোনয়ন সংগ্রহ করেছেন। তবে এখনো চূড়ান্ত প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়নি।

Facebook Comments Box

মন্তব্য করুন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সপ্তম মিনিটেই এগিয়ে যুক্তরাষ্ট্র, হলো দ্রুততম গোলের রেকর্ড

ইরানের জব্দ করা কয়েক বিলিয়ন ডলার ছাড় দিচ্ছে আমিরাত

বাজেটে ছাড়, বাজারে স্বস্তির অপেক্ষায় ভোক্তা

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের রোগীদের জন্য ৬ সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ

টেক্সাসে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ১, আহত ১১

গণসংস্কৃতি পরিষদ খুলনা বিভাগীয় প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব পেলেন কুষ্টিয়ার এসএম সবুজ

চলে গেলেন বিশ্বকাপজয়ী ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার

বিশ্বকাপে নামার আগে আর্জেন্টিনা শিবিরে দুঃসংবাদ

বাজেটের প্রভাব নেই সবজির বাজারে

প্রান্তিক মানুষের স্বাবলম্বীতা গড়ে তুলতে ব্র্যাকের মানবিক উদ্যোগ

১০

কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ইয়াবা, টাপেন্টাডল ট্যাবলেট সহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

১১

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের আয়োজনে কুষ্টিয়ায় মাদকবিরোধী প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত

১২

লালন সাঁইয়ের মাজারে সংস্কৃতির নামে অনৈতিক কাজ চলে: সংসদে আমির হামজা

১৩

পাকিস্তানের সামরিক হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, কেউই বেঁচে নেই

১৪

৫ জেলায় পরীক্ষামূলকভাবে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে- প্রধানমন্ত্রী

১৫

কবর থেকে সালমান শাহের দেহাবশেষ তোলার নির্দেশ আদালতের

১৬

মমতার বাড়িতে সিআইডি অভিযান

১৭

ইরানে মার্কিন হামলা সমাপ্ত: সেন্টকম

১৮

মার্কিন অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ ড্রোন ভূপাতিত করলো ইরান

১৯

বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় ব্যবধানে জয় আর্জেন্টিনার

২০